Project Description

গর্ভের শিশু থেকে শুরু করে ১৬ বছর বয়স পর্যন্ত
মায়ের গর্ভাবস্হায় বাচ্চার কিছু রোগ যেমন – Hydrocephalus (মাথায় পানি জমা), Hydronephrosis (কিডনীতে পানি জমা), Posterior urethral valve (প্রস্রাবের নালীতে পর্দা), Diaphragmatic Hernia (বুকের পর্দায় ছিদ্র), Esophageal Atresia/Duodenal Atresia (খাদ্যনালি বন্ধ), Ovarian cyst/Mesenteric cyst (পেটের ভিতর টিউমার) ইত্যাদি আল্ট্রাসনোগ্রাম এ ধরা পড়ে । উন্নত বিশ্বে এখন গর্ভস্থ শিশুর অপারেশনের সুযোগ থাকলেও আমাদের দেশে এখনও শুরু হয়নি।তবে আমরা পরামর্শ দিতে পারি এবং জন্মের পরপর বাচ্চার চিকিৎসা এবং প্রয়োজনে অপারেশন করতে পারি।
• নবজাতক বাচ্চার অনেক সময় ইমারজেন্সি সার্জিক্যল সমস্যা দেখা দিতে পারে যখন জরুরি অপারেশন প্রয়োজন হয়।যেমন – উপরে উল্লিখিত রোগসমুহ, Intestinal obstruction/perforations (নাড়ী প্যাঁচ খাওয়া/ছিদ্র)), Imperforate Anus (পায়ুপথ না থাকা), Hirschsprung,s disease (পায়ুপথের প্যারালাইসিস), Obstructed hernia/Torsion Testis (হার্নিয়া আটকে যাওয়া/টেস্টিস প্যাঁচ খাওয়া) ইত্যাদি।
• নবজাতকের সময়মত পায়খানা না হলে, অনেক বমি বিশেষ করে সবুজ/হলুদ বমি করলে, পেট ফুলে গেলে যোগাযোগ করতে হবে। বড় বাচ্চাদেরও একই রকম সমস্যা হতে পারে বিশেষত Intestinal obstruction হলে।
বাচ্চাদের বিভিন্ন জন্মগত ত্রুটি থাকে যা অপারেশন করে ঠিক করা যায়। সবক্ষেত্রে ইমার্জেন্সি অপারেশন প্রয়োজন হয় না যেমন – Hemangioma (রক্তনালীর টিউমার), Undescended Testis (টেস্টিস উপরে থাকা), Hydrocele (একশিরা), Cleft lip & palate (ঠোঁট কাটা/তালু কাটা) ইত্যাদি, তবে পরামর্শ নেয়া প্রয়োজন ।
কোষ্ঠকাঠিন্য ইদানীং বড় সমস্যা এবং এর সাথে পায়খানার সংগে রক্ত যাওয়া। সময়মত চিকিৎসায় এসব ভালো হয় । Rectal polyp (পলিপ) হলে অপারেশন লাগে। এছাড়া ৪ মাস হতে ১২ মাস বয়সের মধ্যে পায়খানায় রক্ত সংগ বমি ও পেট ব্যাথা হলে Intususception হতে পারে।
পেটে ব্যাথা হলে সার্জন দেখানো ভালো। ১ বছর বয়স থেকেই Appendicitis (এপেন্ডিসাইট্স), Gallstone (পিত্ত পাথর) হতে পারে এবং অপারেশন প্রয়োজন হয়।ঘনঘন প্রস্রাবে ইনফেকশন হলে শিশু সার্জন দেখানো প্রয়োজন ।

শিশু সার্জারি বিশেষজ্ঞগণ:

অধ্যাপক (ডাঃ) মোঃ জাফরুল হান্নান
এম. বি. বি. এস; এম এস (শিশু সার্জারি)
ল্যাপারোস্কোপি প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত

বাংলাদেশের দ্বিতীয় প্রজন্মের অন্যতম প্রধান শিশু সার্জন। নবজাতক ও শিশুদের সবধরনের অপারেশনের ব্যাপক অভিজ্ঞতা সমপন্ন। বাংলাদেশে শিশুদের ল্যাপারোস্কোপি তিনিই প্রচলন ও শুরু করেছেন । ল্যাপারোস্কোপির উপর দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন জার্নালে অসংখ্য লেখা ছাপা হয়েছে। Jafrul hannan – google scholar citations দেশ-বিদেশের অনেক শিশু সার্জন এসে উনার কাছে ল্যাপারোস্কোপি শিখেছেন, যেমন – মিটফোর্ড হাসপাতাল, ঢাকা শিশু হাসপাতাল, খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম, নেপাল), হাংগেরি), সুইজারল্যান্ড।

দেশ-বিদেশের অনেক বৈজ্ঞানিক সন্মেলনে অংশগ্রহন ও প্রবন্ধ উপস্হান করেছেন।এপেনডিসাইটিস ও পিত্তপাথর অপারেশনে ল্যাপারোস্কোপির নতুন টেকনিক ও তিনি উদ্ভাবন করেছেন।

ডাঃ মোঃ সামিউল হাসান, এমবিবিএস, এমএস
সহকারী অধ্যাপক (পেডিয়াট্রিক সার্জারি এবং পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি)
ঢাকা শিশু হাসপাতাল, ঢাকা
ডাঃ মোঃ সামিউল হাসান একজন তরুণ এবং প্রানবন্ত পেডিয়াট্রিক সার্জন। তিনি গত ৯ বছর ধরে ঢাকা শিশু হাসপাতালের পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগে কাজ করছেন। নবজাতক শল্য চিকিৎসা, পেডিয়াট্রিক ইউরোলজি এবং পেডিয়াট্রিক ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে।
ডা: সহদেব কুমার দাশ
এমবিবিএস, এমসিপিএস, এমএস (শিশু সার্জারি)
নবজাতক, শিশু-কিশোর ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন
সহকারী অধাপক, শিশু সার্জারি বিভাগ
খুলনা মেডিকেল কলেজ

নবজাতক ও শিশুদের সবধরনের অপারেশনের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ।
শিশু সার্জারিতে ইতিপূর্বে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, চট্রগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ট্রেনিং ও কাজ করার অভিজ্ঞতা সম্পন্ন।
ল্যাপারোস্কোপির উপর বিশেষ ট্রেনিং প্রাপ্ত।
থিসিস ও অন্যান্য গবেষণা কাজ বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত।
ডা. ফাতেমা সাইদ অধরা
এমবিবিএস, এমএস (পেডিয়াট্রিক সার্জারি), এমআরসিএস
রেজিস্ট্রার, পেডিয়াট্রিক সার্জারি বিভাগ
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

DR MD SAMIUL HASAN

Assistant Professor,
Availability: None
Consultation hours: None

যোগাযোগ করুন